‘রাজাবাবু রাস্তায় চললে মানুষ হা করে তাকিয়ে থাকে’

খামারটির দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন পাবনা জেলার বাসিন্দা লিয়াকত হোসেন। তিনি বলেন, ফিজিয়ান জাতের গরুটি দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হয়েছে। খামারে মশার উৎপাত ঠেকাতে মশারি দিয়ে আচ্ছাদিত করা হয়েছে। বিচুলি ও ঘাসের পাশাপাশি আখের গুড়ের শরবত, ওরস্যালাইন ও ভুসি খাওয়ানো হয়। দুই বেলা গোসল করানো, সময়মতো খাবার দেওয়া, গরমের সময় শরীর শীতল রাখতে বাতাসের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি ছাড়া আরও একজন পরিষ্কার–পরিছন্নতার কাজ করেন।

খামারের মালিক এনামুল হক বলেন, ২০১০ সালে পুকুরের কিছু অংশ ভরাট করে গরুর খামার তৈরি করা হয়। ওই সময় মাত্র ছয়টি গরু দুই লাখ থেকে চার লাখ টাকার মধ্যে কেনা হয়। পরে সেগুলো মোটাতাজা করে কোরবানির ঈদে ভালো দামে বিক্রি হয়। পরবর্তী সময়ে লাভের অংশ যোগ করে আরও চারটি গরুর সংখ্যা বাড়ানো হয়। এখন ২৪টি গরু রয়েছে। খামার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২ জন ২৪ ঘণ্টা কাজ করেন। অনেকে খামারে এসেই গরু কিনে নিয়ে যান। করোনা সংক্রমণের কারণে এখনো তেমন একটা গরু বিক্রি হয়নি।

খামারের পাশেই বাড়ি মিলিয়ার খাতুনের। তিনি বলেন, এনামুলের খামারে গরু খুব আদর–যত্নে বড় হয়। খামারটি সব সময় পরিষ্কার–পরিছন্ন রাখা হয়। ঈদের সময় বড়লোকেরা গাড়িতে করে ফার্মে গরু কিনতে আসেন। সাদা–কালো রঙের একটি বড় গরু রয়েছে, অনেকে রাজাবাবু নামে ডাকে। গরুটি খুব শান্ত স্বভাবের। গায়ে হাত দিলেও চুপ করে থাকে।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email
টেক কথন
টেক কথন

সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির - টেক কথন এ আমি ৩ বছর যাবৎ
যুক্ত আছি। এখানে আপনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করি।
আশা করি আমাদের ওয়েবসাইটে সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ

আপনার পন্য বা প্রতিষ্ঠানের

নিজেকে আপডেটেড রাখতে কানেক্টেড থাকুন টেক কথন এর সাথে!

error: চোর কোথাকার! চুরি করে আর কত দিন?