বর্ণান্ধতা জয় করে তিনি এখন ডেনিশ রূপকথার সহযাত্রী

ডেনমার্ককে ফাইনালে তোলার লড়াইয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে টমাস ডেলেনিকে। ডেনিশ এই রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলছেন, মাঠে দৌড়াচ্ছেন নিরন্তর।

এই টুর্নামেন্টে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দৌড়ে দলের ‘প্রেসিং’য়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছেন ডেলেনি। কোয়ার্টার ফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে গোলও করেছেন হেডে। ৫৯ ম্যাচ খেলা বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের এই মিডফিল্ডার নিঃসন্দেহে অনেক বড় ভরসা কোচ ক্যাসপার হিউলমান্ হয়ে মাঠে নিজেকে নিংড়ে দেন ডেলেনি। চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচে।

অথচ একটু এদিক-সেদিক হয়ে গেলে হয়তো ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নই পূরণ হতো না ডেলেনির। হয়তো খেলতে পারতেন না শীর্ষ পর্যায়ে। স্বপ্নপূরণের পথে তাঁর বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল বর্ণান্ধতা। লাল আর সবুজ রং চিনতে পারেন না এই মিডফিল্ডার।

বেশ ঝামেলাই হতো তাঁর। হবে না-ই বা কেন? তাঁর দেশের জার্সির মূল রং লাল, আর সাবেক ক্লাব ভেরডার ব্রেমেনের জার্সির রং যে সবুজ!

কিন্তু ডেলেনি থেমে থাকেননি। দুর্বলতাকে বানিয়েছেন শক্তি। ২০১৮ বিশ্বকাপের আগে ডেনমার্ক বনাম মেক্সিকো ম্যাচে এক ভক্তের মনে সাহস দেওয়ার জন্য ফোন করেছিলেন ডেলেনি।

সেই ভক্তও ছিলেন বর্ণান্ধ, ডেনমার্কের লাল ও মেক্সিকোর সবুজ জার্সি চিনতে পারছিলেন না। ফোন করে ডেলেনি বলেন, ‘আমার নাম টমাস, আমারও ঠিক এই সমস্যাটাই হয়।’

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email
টেক কথন
টেক কথন

সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির - টেক কথন এ আমি ৩ বছর যাবৎ
যুক্ত আছি। এখানে আপনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করি।
আশা করি আমাদের ওয়েবসাইটে সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ

আপনার পন্য বা প্রতিষ্ঠানের

নিজেকে আপডেটেড রাখতে কানেক্টেড থাকুন টেক কথন এর সাথে!

error: চোর কোথাকার! চুরি করে আর কত দিন?